কলকাতা: পুজোর পর্ব শেষ, এবার পালা পুরভোটের। নভেম্বরের শেষে কলকাতা-হাওড়া পুরভোটের সম্ভাবনা। তাই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। NCPI-এর সঙ্গে জোটের জল্পনার নিয়েও চলছে জোর জল্পনা ও রাজনৈতিক তরজা। এদিকে পুরভোটের প্রার্থী তালিকা ঠিক করতে ২দিনের বৈঠকে রাজ্য বিজেপি। কাদের কাদের জয়ের সম্ভাবনা, ভাবমূর্তি, সাংগঠনিক কাজের অভিজ্ঞতা, এই ৩টি বিষয়কে মাথায় রেখেই প্রার্থী বাছাইয়ে জোর দিচ্ছে বিজেপি, এমনটা জানালেন সুকান্ত মজুমদার। অন্যদিকে, বিজেপিকে পরাজিত করতে ছক কোষছে বিরোধীরা। কিন্তু এর মাঝে শিউলি সাহার মুখে ফের ফিরল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেশপুরের বিধায়ক। 

বৃহস্পতিবার ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন মদন মিত্র। নিজের বিধানসভা এলাকায় যেতে পারছেন না বলে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন তিনি। চোখে জল এসে গেছিল কামারহাটির বিধায়কের। শুক্রবার একই সুর শোনা গেল কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহার গলাতেও। শুক্রবার ফের দু’জনের মুখে উঠে এল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস-এর বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, ”যারা আমায় জিতিয়েছে, তাদের কাছে যেতে পারব না?” তিনি আরও বলেন, ”ইতনা ঘামন্ডি না হো আপনে বুলন্দি পর, হামনে সিতারোকে গিরতে দেখা…রাজনীতিকে ঘৃণা করি, আমি নিজেকেও ঘৃণা করি, আমি বেইমানি করছি। প্রতারণা করছি। আপনি কাঁদছেন…এটা চোখের আনন্দের জল।”

অন্যদিকে আবার শুক্রবার মদন মিত্রের মত একই সুর কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহার গলাতেও। তিনিও তাঁর এলাকায় যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ জানান। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস-এর বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, ‘কেন বিধায়ক হিসাবে এলাকায় যেতে পারছি না?’ ‘কেউ কথা রাখেনি। গতকাল মদন মিত্রর কথা শুনলাম। মদন মিত্র যা বলেছেন ঠিক বলেছেন। আমি এলাকায় যেতে পারিনি। নন্দীগ্রামে অঞ্জলি দিয়েছি, কিন্তু এখন…।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে কী বললেন মদন ও শিউলি ?

কথায় বলে, রাজনীতি হল সম্ভাবনার শিল্প। এখানে চির শত্রু বলে কিছু হয় না। এবার কি সেরকমই কিছু হবে? শুক্রবার, তৃণমূলের পার্টি অফিসে বৈঠকে বসেছিলেন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে ফের মদন মিত্র এবং শিউলি সাহার মুখে শোনা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা। তবে কি গণতান্ত্রিক তৃণমূলের বিধায়কদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমশ চওড়া হচ্ছে ? মদন মিত্র যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন, একই সুর শিউলি সাহার গলায়। দু’দনের মুখে মমতার স্তুতি। মদন মিত্র বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন আল্টিমেট তৃণমূল। কংগ্রেসের নেতা গান্ধি, নেহেরু। আজ ঘটনাচক্রে অনেকে আসছেন। তেমনি তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমার্থক।’ শিউলি সাহা বলেন, ‘মমতা বন্দোপাধ্যায় আমার নেত্রী। আমার বিজয়ার প্রণাম। গিয়ে প্রণাম করার মতো পরিস্থিতি নই। মদন দার মতো আমাদের চোখে জল এসেছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *