বেহালা: রীতি মেনে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়ি থেকে কৈলাসে পাড়ি উমার (Durga Puja 2026)। কাল থেকে চলছে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে বিসর্জন। তবে বেশকিছু মণ্ডপে রয়েছে প্রতিমা। সেই তালিকায় যেমন সল্টলেকের এফডি ব্লক রয়েছে, তেমনই রয়েছে ত্রিধারা, টালা প্রত্যয়ের মতো ক্লাবগুলি। এখনও চলছে ঠাকুর দেখা। উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতা, মণ্ডপে মণ্ডপে এখনও মানুষের ভিড়। বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারের পুজোয় সামিল হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ও (Sourav Ganguly)।

বেহালার বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নার মানেই প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের পাড়ার পুজো, ঘরের পুজো। এই পুজোতে প্রতি বছরই সময় পেলেই বর্তমান সিএবি সভাপতিকে দেখা যায়, তাও আবার সপরিবারে। এবারও তাঁর অন্যথা হল না। কিছুক্ষণ পরেই এই ক্লাবের মাতৃ প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য বাবুঘাটের উদ্দেশে রওনা হবে, তার প্রস্তুতি চলছে। তার আগে একাদশীর দিন সন্ধেতে বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারে হাজির হলেন সৌরভ।

পুজোর কয়টা দিন তাঁর পুজো, তাঁদের ভাইদের করা পুজোতেই মূলত সময় কাটান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এ বছর অবশ্য শুরুতে তিনি কয়েকদিন ছিলেন না। তাঁর পুজো কেমন কেটেছে? এই প্রশ্নের জবাবে হাসিমুখে সৌরভ জানান, ‘দুর্গোৎসব বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব। এমন কোনও বাঙালি নেই যার দুর্গোৎসব ভাল কাটে না। প্রতিবারই আমার পুজো ভালই কাটে। এবারও ভালই কেটেছে। আমি শুরু থেকে ছিলাম না। ইংল্যান্ডে গিয়েছিলাম দুইদিন। আমি সপ্তমী থেকে ছিলাম। খুবই ভাল কেটেছে।’

আরও পড়ুন:- পুজোর ভিড়ে হাত সাফাই, বাঁকুড়ার লজ থেকে গ্রেফতার আন্তঃরাজ্য চক্রের ১৩ জন 

এই বছরের পুজোতে আবার চোরবাগানে ঘটে গিয়েছে দুর্ঘটনা। ঠাকুর দেখতে এসে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। সেই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সৌরভের মন খানিক ভারাক্রান্তও বটে। সেই ঘটনা নিয়ে বলতে গিয়ে সৌরভ জানান, ‘খারাপ তো লাগবেই, এতজন মারা গিয়েছেন। এর থেকে আর বেশি কী বলব! এত লোক মারা গিয়েছেন। খুবই দুঃখজনক।’ 

বাপের বাড়িতে সময় কাটিয়ে এবার উমার ফেরার পালা। সেই প্রস্তুতিই চলছে বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারে। গত বছর এই পুজোমণ্ডপেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে ঢাক বাজাতে, নাচতে দেখা গিয়েছিল। এবারও কি তেমনটা দেখা যাবে? সেই প্রশ্নের জবাবে অবশ্য মুচকি হেসে, ‘দেখা যাক’ বলেই এগিয়ে যান ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’।           



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *