কলকাতা: চোরবাগানকাণ্ডে SIT গঠন রাজ্য সরকারের। কলকাতা হাইকোর্টের সঙ্গে আলোচনা করে SIT গঠন রাজ্য সরকারের। চোরবাগানকাণ্ডে SIT-কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। এদিন এবিপি আনন্দকে এক্সক্লুসিভলি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বলেন, ‘চোরবাগানের ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। সেদিন খবরটা পেয়ে স্তম্ভিত হয়ে যাই। প্রতি বছর পুজোতে ভিড় থাকেই জনগণের। এরকম ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনার তদন্তে সকলের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন। প্রথমে প্যান্ডেলটা গিয়ে দেখতে হবে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল সেটা দেখতে হবে। একাধিক কারণ ছিল। যারা দোষী সেটা বের করতে হবে। যত শীঘ্র সম্ভব কাজ শুরু করব। তিন মাসের মধ্যে শেষ করতেই হবে।    

কে এই বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী? 

দীর্ঘ বছর লোয়ার জুডিশিয়ারিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা। ২০০৭: কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট জাজ হন বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। ২০০৮: কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টে চিফ জাজ হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০১২: কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হিসেবে শপথগ্রহণ। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অবসরের পর কেন্দ্রীয় সরকারের বহু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গের SIR-এর অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। 

চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু, SIT গঠন রাজ্য সরকারের। কলকাতা হাইকোর্টের সঙ্গে আলোচনা করে SIT গঠন রাজ্য সরকারের। SIT-এর চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। SIT-এ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ও সিভিল ডিফেন্সের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাজেশ সিন্হা। SIT-এ রয়েছেন রাজ্য STF-র DG জাভেদ শামিম। SIT-এ স্বরাষ্ট্র দফতরের একজন প্রতিনিধি, যিনি জয়েন্ট সেক্রেটারি পদের নীচে নন। SIT-এর সদস্য: DGP-র দফতরের প্রতিনিধি, যিনি পুলিশের ADG পদের নীচে নন। SIT-এ থাকছেন কলকাতার ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের প্রতিনিধি। তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেবে SIT, কার্যকর নির্দেশ। 

পাশাপাশি, চোরবাগানকাণ্ডে দোষীদের ছাড় নয়, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। “মোহন ভাগবত সঠিক বলেছেন, এটা মানুষের ভুল অবশ্যই। কলকাতা পুলিশ-পুরসভার বিরুদ্ধেও তদন্ত হবে। সিভিক নির্ভরতায় আগের সরকার সব শেষ করে দিয়েছিল। প্যান্ডেল তো ভেঙে পড়েনি, মাইকে ঘোষণার দরকার ছিল না”, চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুতে গতকাল বললেন মুখ্যমন্ত্রী। 

চোরবাগানকাণ্ডে অত্যাধিক ভিড়, প্রতিকূল আবহাওয়া, গেট ম্যানেজমেন্ট, গুজব ছড়ানো, ইলেকট্রিক্যাল ফেলিওর খতিয়ে দেখবে SIT। ঢোকা ও বেরনোর অপ্রশস্ত পথ, কাঠামোগত ত্রুটি ও ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতাও খতিয়ে দেখবে SIT। চোরবাগানকাণ্ডে সমন্বয়ে ব্যর্থতা প্রমাণিত হলে আয়োজক, পুলিশ, কলকাতা পুরসভার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে SIT। চোরবাগানকাণ্ডে সমন্বয়ে ব্যর্থতা প্রমাণিত হলে PWD, দমকল, সিইএসসি বা অন্যান্য এজেন্সি বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে SIT। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *