এপার বাংলার পাশাপাশি ধুমধাম করে শারদোৎসব পালন করা হচ্ছে ওপার বাংলাতেও। রাজধানী ঢাকার গুলশান ও বনানির পুজো মণ্ডপে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। পুজো প্য়ান্ডেলগুলি ঘুরে দেখলেন তিনি। মণ্ডপ পরিদর্শনের সঙ্গে সকলকে শুভেচ্ছাও জানান দীনেশ ত্রিবেদী।
কমিউনিস্ট, আরশোলা থেকে ছারপোকা- যাদের বাবা-ঠাকুরদা চিনে থাকে, তাদের থেকে সাবধানে থাকবেন। ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য় করলেন মুখ্য়মন্ত্রী! পাল্টা জবাব দিয়েছে বামেরা। পুলিশরাজ, গুন্ডারাজ দিয়ে রাজত্ব করছে বলে বিজেপিকে বিঁধেছে মমতা তৃণমূল। সব মিলিয়ে পুজোর মধ্যেও সিপিএমের বুকস্টল ভাঙা নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।
হরিদেবপুর থেকে ফুলিয়া, হলদিয়া। রাজ্যের নানা প্রান্তে ভাঙচুর চলছে সিপিএমের বুক স্টলে। বিজেপি আশ্রিত দুষকৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলছে বামেরা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসক দল। বিজেপির দাবি, নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করছে সিপিএম।
সুরুচি সঙ্ঘের মহিলা ভলান্টিয়ার ‘শ্লীলতাহানি’, গ্রেফতার ASI । অভিযুক্ত কলকাতা সশস্ত্র পুলিশের থার্ড ব্যাটলিয়নের ASI কবিরুল ইসলাম।
১৭ তারিখ পুজোর দিন সন্ধেয় মহিলা ভলান্টিয়ারকে ‘শ্লীলতাহানি’। মহিলা ভলান্টিয়ারের অভিযোগ, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের ASI। সুরুচি সঙ্ঘের ভিড় সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন ওই মহিলা ভলান্টিয়ার। কর্তব্যরত ASI-এর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, ভাইরাল ভিডিও।
দিকে দিকে নিশানায় বামেদের বুক স্টল। বিরোধীদের সমালোচনা তো বটেই, এবার বামেদের স্টল ভাঙচুর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শোনা গেল বিজেপিরই মন্ত্রিসভার সদস্য স্বপন দাশগুপ্তের গলায়। তিনি বলছেন, ‘এই ধরনের অসভ্যতামি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। এরা বিজেপিকে, রাজ্যের সরকারকে বদনাম করছে।’ সিপিএম কটাক্ষ করে বলছে, শারদোৎসবকে অশান্তির আবহে বিষিয়ে দিতে চাইছে বিজেপি এবং তার বশংবদ বাহিনী। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, ‘এই ধরনের অসভ্যতামি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। এতো গুন্ডামি হচ্ছে। গেরুয়া পরে গুন্ডামি।’