কলকাতা: রাজ্যে নাকি আকাল দেখা গিয়েছে স্ট্যাম্প পেপারের। এমনই অভিযোগ তুলে এবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। অভিযোগ জানানো হয়েছে রাজ্যে নাকি এই মুহূর্তে মিলছে না ১০ টাকা ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার। আর যাঁদের প্রয়োজন এখন এই স্ট্যাম্প পেপারের, তাঁরা পড়ছেন সমস্যায়।

আরও পড়ুন: যানজট এড়িয়ে আকাশ পথে অফিস, উড়ে মাত্র ২০ মিনিটেই অফিস পৌঁছে যান এই ব্যক্তি

অভিযোগ, অনুমোদন রয়েছে যে সব স্ট্যাম্প পেপার ভেন্ডারদের, তাদের প্রশাসনের তরফে একটা অলিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইতিমধ্যেই নাকি বাজার থেকে ২৫ হাজারের বেশি স্ট্যাম্প পেপার তুলে নেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। অভিযোগকারীর দাবি, এই সব স্ট্যাম্প পেপার নাকি পাঠনো হচ্ছে রাজ্যের থানাগুলোতে।               

আসলে ব্যাপারটা কী? অভিযোগ যিনি করেছেন, তাঁর দাবি তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে হলফনামা জমা দেওয়ার। সেই হলফনামা জমা করতে হবে গণতান্ত্রিক তৃণমূল অর্থাৎ তৃণমূলের ঋতব্রত গোষ্ঠীকে। অভিযোগকারী দাবি করছেন যে, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের হয়ে ওই স্ট্যাম্প পেপারে সই করাচ্ছে পুলিশ। ঋতব্রত গোষ্ঠীর হয়ে তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই স্ট্যাম্প পেপারে সই করাচ্ছে পুলিশই।               

আরও পড়ুন: মূল্যবৃদ্ধির চাপে মাসের খরচ ছাপিয়ে যাচ্ছে বাজেটকে? কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন আপনার এই সমস্যাকে

অভিযোগ, সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি গিয়ে স্ট্যাম্প পেপারে সই করানো হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে আবেদনকারী বলেছেন, পুলিশ যেন এই কাজে বিরত থাকে, এমন নির্দেশ দিক কলকাতা হাইকোর্ট। এ ছাড়াও তাঁর আরও আবেদন এই সব স্ট্যাম্প পেপার বাজেয়াপ্ত করা হোক। 

অভিযোগকারী আরও বলছেন, কোনও স্ট্যাম্প পেপার তুলয়ে হলে নির্দিষ্ট কিছু আইন মেনে সেই কাজ করতে হয়। সেই স্ট্যাম্প পেপারের একটা নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশনও হয়। কিন্তু অভিযোগকারী যে ভাবে কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন, সেখানে কোনও রেজিস্ট্রেশনও হচ্ছে না। আবার কোনও আইন মেনে সেই কাজ করা হচ্ছে না। আর এই মর্মেই কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে এই জনস্বার্থ মামলা। আগামী ১৯ এপ্রিল অর্থাৎ অষ্টমীর দিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হবে এই মামলার।               



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *