সৌমিত্র রায়, কলকাতা: সিপিএমের পরে SUCI-র বুক স্টলেও ‘হামলা’, ট্যাংরার কবরডাঙায় SUCI-র বুক স্টলে হামলার অভিযোগ। খবর পেতেই পৌঁছল পুলিশ। তবে এরপর ঘটনায় নয়ামোড়। বামেদের বুকস্টলে হামলার অভিযোগের মাঝে ব্যতিক্রমী ঘটনা ষষ্ঠীর সন্ধ্যায়, শেষ অবধি কোর্টের নির্দেশ পেয়ে, SUCI-র কর্মীদের বুকস্টলে বসতে দিল প্রশাসন।

আরও পড়ুন, রাতে হতে পারে ঝড়-বৃষ্টি ? দুর্যোগের আশঙ্কা কতটা ? কী বলছে IMD

এন্টালির কামারডাঙার সাধারণ দুর্গোৎসব সমিতি, পুজোর কয়েকদিন আগেই তাঁরা ‘বামবধ’, এই ফ্লেক্স এন্টালির বিভিন্ন জায়গায় টাঙিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, কোনও বাম সংগঠনকে এই পুজোর সময় বুকস্টল করতে দেওয়া হবে না। সেইমতোই এদিন মহাষষ্ঠীর সকালবেলা যখন, এই কামারডাঙা সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির সামনে, পুজোমণ্ডপ থেকে ১০০ মিটার দূরে সিপিএম-এর তরফে বুকস্টল করতে আসে, তখন তাঁদেরকে বাধা দেওযা হয় বলে অভিযোগ। সিপিএম-র তরফে যে বুকস্টল এবং ডেকরের্টসরা বাঁশ নিয়ে এসেছিল, তাঁরা চলে যায়। বুকস্টল করতে পারেননি। ঠিক তার পরেই অর্থাৎ দুপুরবেলা, দুপুর তিনটে নাগাদ, SUCI-র তরফে কামারডাঙা সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির যে পুজোমণ্ডপ, তার থেকে দেড়শো মিটার দূরে, যেখানে সিপিএম বুকস্টল করতে এসেছিল,  তার থেকে আরও ৫০ মিটার বেশি, অর্থাৎ ১৫০ মিটার দূরে তাঁরা বুকস্টল করতে আসেন। এরপরেই ওই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।

SUCI-র কর্মীদের দাবি, এই বুকস্টল বসার আগে তাঁরা, আদালতের নির্দেশ নিয়ে এসেছেন। এবং এখানে ১৬৩ ধারা জারি করে, বুকস্টল বসা যাবে, আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এমনটাই দাবি SUCI-র কর্মীদের। ওই এসইউসিআই কর্মীরা এও জানায়, তাঁরা পূর্বেই আদালতের ওই নির্দেশের কথা প্রশাসনকে জানিয়েছে। থানাতে কথা বলেছে।এক SUCI-র কর্মীর কথায়, আমাদের কো্টের নির্দেশ ছিল। পুলিশি যে পারমিশন সেটাও আমাদের কমপ্লিট। লালবাজার লোকাল থানা, আমাদের যে এন্টালি থানা, সবটাই আমরা কমপ্লিট করেছি। এবং আমরা আজকে, দুপুর বেলায় থানায় গিয়ে যোগাযোগ করি। আবার ডকুমেন্টসগুলি দিয়ে আসি। এটা ঝামেলা করবে ..সূরঝ সিং ও অভিজিৎ গুপ্তা, এটা আগে থেকেই আমাদেরকে বিভিন্নভাবে থ্রেড করছিল। সেটা আমরা জানার পরে কোর্টে যাই কোর্টে যাই কোর্টে কেস করি।কোর্ট আমাদের অর্ডার দেয় এবং তার সঙ্গে সঙ্গে, এখানে ১৬৩ ধারা জারি করে। যাতে কোনওভাবে শৃঙ্খলাভঙ্গ না হয়। পুলিশি নিরাপত্তা থাকে।এর ভিত্তিতে আমরা এখানে স্টল খোলার পরেই , সূরঝ সিং ও অভিজিৎ গুপ্তার নেতৃত্বে, ২০-২৫ দিনের একটা হুলিগান টিম , তাঁরা এসে এখানে আক্রমণ করে। সব ভাংচুর করে।’ 

 এদিকে এই হামলার ঘটনার অভিযোগের খবর পেয়ে ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছেছে পুলিশ। এবং দুই পক্ষের মধ্যেই মীমাংসা করিয়ে দিয়েছে। শেষ অবধি পাওয়া খবরে, কোর্টের নির্দেশ থাকায়, SUCI-র কর্মীদের বুকস্টলে বসতে দিয়েছে প্রশাসন।

 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *