অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা :  কলকাতা পুরসভায় নিজের ঘরে এসে বসলেন কার্তিক মহারাজ । ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসী স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজের জন্য কলকাতা পুরসভায় ঘর বরাদ্দ করা হয়েছিল আগেই। সোমবার তিনি বসলেন নিজের অফিসে। কলকাতা পুরসভার রোড ‘রি-নেমিং কমিটি’ বা নতুন করে নামকরণ বিষয়ে  মূল্যায়ন কমিটির চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন তিনি। সেই জন্যই কলকাতা পুরসভায় তাঁর একটি স্থায়ী অফিস বা নির্দিষ্ট ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। গত বছর পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন  ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজ। 

তিনি এখন থেকে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা ও এলাকার নাম সংশোধন, পরিবর্তন এবং নতুন নামকরণের প্রস্তাব খতিয়ে দেখবেন। সোমবার নিজের অফিসে বসেই জানিয়ে দিলেন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা। কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নাম বদলানো হচ্ছে, এই জল্পনা ছিলই। এবার সন্ন্যাসী নিজেই জানালেন  রাস্তার নাম বদল নিয়ে তাঁর ভাবনা।                         

কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন রাস্তার নাম বদলের জন্য কমিটি গঠন করেছে রাজ্য। তার মাথায় আছেন কার্তিক মহারাজ।কমিটিতে আছেন, আরও ৯ জন। রয়েছেন সুব্রত গুপ্ত, তথাগত রায়-সহ একাধিক দফতরের সচিব। ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক-সহ বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে বদলাতে পারে রাস্তা ও জায়গার নাম দেওয়া হবে।                          

কলকাতার একাধিক রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব রয়েছে তাঁর হাতে। যেমন বিশ্ব বাংলা সরণি, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণির নাম বদলের প্রস্তাব রয়েছে  ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসী স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজের হাতে। যেমন রয়েছে, বিনোদ মেহতার নামে রাস্তা করার প্রস্তাব। জানালেন কার্তিক মহারাজ নিজেই। যেসব রাস্তার নাম বদল হবে, সেগুলির নতুন নামকরণ হবে ভারতের মণিষীদের নামেই। জানালেন তিনি। রোড রিনেমিং কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ার পর প্রথমবার এদিন কলকাতা পুরসভায় আসেন কার্তিক মহারাজ  । 

কলকাতা পুরসভায় তাঁর ঘরটি সজ্জিত গৈরিক রঙে। সন্ন্যাসী জানালেন, আগামীতে তাঁর ঘরে ভারতমাতার ছবি, স্বামী বিবেকানন্দ ও স্বামী প্রণবানন্দের মতো মণিষীদের নামে ছবি লাগানো হতে পারে।  কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা ও এলাকার নাম সংশোধন, পরিবর্তন এবং নতুন নামকরণের প্রস্তাব খতিয়ে দেখার কাজ এই অফিস থেকেই করা  হবে। মূল দায়িত্বে থাকবেন তিনিই।  সাধারণ মানুষও রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব এই অফিসে জমা দিতে পারবেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *