ABP Ananda LIVE : সরকারি জমি চাষের কাজে দিয়ে, পরে ব্যক্তি মালিকানাধীন দেখিয়ে জোর করে মালিককে উচ্ছেদ। ভুয়ো নামেও জমি দখল। সুমিত-সুজয় হাজরা জুটির কীর্তি CID-র চার্জশিটে।
আরও খবর
পুজোর আগেই রাজ্যের ২ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন হবে। পুজোর পর হবে পুরভোট। এই অবস্থায় জোড়াফুল প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। সেই আবহেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর, উভয় কেন্দ্রের জন্যই প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারই জানিয়ে দেওয়া হল, নন্দীগ্রামে ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান দে।
মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে প্রার্থী হচ্ছেন রবিউল আলম চৌধুরী।
কিছুদিন ধরেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কি প্রার্থী হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই? নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হল নন্দীগ্রামেরই সঞ্চিতাকে। কে এই সঞ্চিতা ? ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ছিলেন নারী শিশুকল্যাণ কর্মাধ্যক্ষ। ২০১৮ থেকে ২০২৩ ছিলেন, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। ২০১৪ সালে টেট দুর্নীতির অভিযোগে ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি যায় ২৬৯ জনের। সেই তালিকায় ছিলেন নন্দীগ্রাম ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৎকালীন শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সঞ্চিতা প্রধান দে সহ পূর্ব মেদিনীপুরের ৩০ জন। পরবর্তী কালে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে চাকরি ফিরে পান তিনি।
কিছুদিন ধরেই দলের প্রতীক ও অ্যাকাউন্ট নিয়ে জোর টানাপোড়েন চলছে ‘কালীঘাট-তৃণমূল’ ও ‘ঋতব্রত তৃণমূল’-এর মধ্যে। সেই আবহেই ঋতব্রত তৃণমূল শিবির জানায়, নন্দীগ্রাম থেকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় প্রার্থী হলে , তাঁরা প্রার্থী দেবেন না। কিন্তু দেখা গেল , কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী অন্য কেউ। এই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত-শিবির বলছে, তাঁরা প্রার্থী দেবেন। এখন কে প্রার্থী হয়, সেটাই দেখার।