কলকাতা: কবে হুগলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা? মামলা সিঙ্গল বেঞ্চেই পাঠাল ডিভিশন বেঞ্চ। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাবেশ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা। ‘২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করবে সিঙ্গল বেঞ্চ,’ সিঙ্গল বেঞ্চে মামলা ফেরত পাঠিয়ে নির্দেশ প্রধান বিচারপতির।
বিকল্প হিসেবে স্থানীয় জলকল মাঠে সভা করার প্রস্তাব রাজ্য সরকারের। রাজ্য সরকারের বিকল্প প্রস্তাব মানতে নারাজ ‘কালীঘাট তৃণমূল’। ‘এই মাঠ কি আগে কোনও রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছিল?’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা নিয়ে মামলায় জানতে চাইল হাইকোর্ট।
স্নান পিঁড়ি ময়দানে মমতার সভায় আপত্তি জানিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘স্নান পিঁড়ি ময়দান ব্যক্তিগত সম্পত্তি, ফলে সভার জন্য লাগবে অনুমতি।’ মমতার সভার বিরোধিতা করে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের প্রশ্ন, ‘জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভা করার অনুমতি সম্ভব?’ মমতার সভার জন্য জমি দিতে নারাজ মন্দির কর্তৃপক্ষও। ‘সিঙ্গল বেঞ্চে কোনও প্রতিনিধি ছিল না, তাও বিরোধিতা করা যায়নি’।
হুগলিতে কবে মমতার সভার অনুমতি, তা নিয়ে মামলার শুক্রবার ফের শুনানি ছিল। মিছিলের বদলে সভার অনুমতি সিঙ্গল বেঞ্চের, ডিভিশন বেঞ্চে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারকে বিকল্প জায়গা জানাতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ‘শ্রীরামপুর কোর্টের মাঠে নির্দিষ্ট লোক নিয়ে রবিবার সভা করলে আপত্তি নেই,’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা নিয়ে কোর্টে জানাল রাজ্য সরকার।
‘আমাদের আপত্তি আছে’, পাল্টা সওয়াল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘স্নানপিঁড়ি মাঠ এখন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয় না, সবাই সভা করে’, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা নিয়ে সওয়াল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আমরা জমি দিতে চাই না, হাইকোর্টে জানাল মন্দির কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি সৌরভ-স্নেহাশিসের মা নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায়, কেমন আছেন?
আগে কেন দিয়েছিলেন? মন্দির কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন তপোব্রত চক্রবর্তীর। আগে আমাদের চাপ দেওয়া হয়েছিল, কোর্টে দাবি মন্দির কর্তৃপক্ষের। কাল কি কোনও বিশেষ দিন পালিত হচ্ছে? কালই করতে হবে কর্মসূচি? কালকেই সভা করতে হবে, এই ধরনের কোনও দিন মাহাত্ম্য আছে? কালীঘাট তৃণমূল-এর কাছে জানতে চাইলেন প্রধান বিচারপতি। না, এটা রাজনৈতিক কর্মসূচি, হাইকোর্টে জানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কর্মসূচি কি আগামী সপ্তাহে করা সম্ভব? তাহলে আগামী সপ্তাহেই পূর্ণাঙ্গ শুনানি
করে মামলার নিষ্পত্তি করব, বলেন প্রধান বিচারপতি।
‘দিন পরিবর্তনে সমস্যা নেই, কিন্তু আগামীকালের পরে আমি কিছুদিন থাকছি না,’ সুপ্রিম কোর্টে মামলা আছে, হাইকোর্টে জানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।